সুবর্ণরেখা একটি নদীর নাম। কিন্তু এই ব্লগের নাম নদীর নামে নয় বরং ঋত্বিক ঘটকের সিনেমা সুবর্ণরেখার নামে। আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, ‘কোন চলচ্চিত্রকারকে আপনার জীবনের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় মনে করেন?’ তাহলে উত্তর দেব ‘ঋত্বিক ঘটক’। ঘটকের প্রতিটা সিনেমাই আমাকে বিমোহিত করেছে, যেমনটি আর কেবল একজন চলচ্চিত্রকারই করতে পেরেছিলেন: স্ট্যানলি কুবরিক।
তবে আমার সাইটের মূল বিষয়বস্তু অবশ্য সিনেমা না, মূল বিষয়বস্তু বিজ্ঞান, আরও সঠিক করে বললে জনপ্রিয় বিজ্ঞান। বাংলায় বিজ্ঞানের লেখালেখি হয়তো কম, কিন্তু ইন্টারনেটে এখন বিজ্ঞান লেখকদের একটি নতুন প্রজন্ম এসেছে যারা নিজ দায়িত্ব পালনে খুব সচেষ্ট। এদের হাত ধরেই বাংলায় বিজ্ঞানের উৎকর্ষ ঘটবে আশাকরি, আশাকরি বিজ্ঞান এবং সিনেমার হাত ধরে বাংলায় শুরু হবে কোন রেনেসাঁ।
আমি মনে করি, বাংলায় বিজ্ঞান চর্চাটা খুব জরুরী। আজকে হয়ত আমরা সবকিছু ইংরেজিতে দেখছি, কিন্তু মাত্র চার পাঁচ শত বছর পেছনে গেলেই কিন্তু একেবারে ভিন্ন পরিস্থিতি পাওয়া যেতো, তখন সকল জ্ঞানের ভাষা ছিল লাতিন। তেমনি ইংরেজিও হয়তো পরিবর্তিত হয়ে যাবে, হয়ত হবে না। তাই বর্তমানের চাপে ভবিষ্যতের স্বপ্ন ছুঁড়ে ফেলতে নেই, ঠিক যেমন অতীতের স্মৃতিও ভুলে যেতে নেই। অতীতের স্মৃতির আর ভবিষ্যতের স্বপ্নের ডানায় ভর করেই বলছি, বাংলায় বিজ্ঞান চর্চার জাগরণ ঘটা উচিত। শুধু বিজ্ঞান, সবকিছুকেই প্রকাশ করা উচিত যার যার মাতৃভাষায়।
এই ব্লগে আমি মূলত বিজ্ঞান এবং সিনেমা নিয়ে লিখি। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আমার প্রিয় বিষয় জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান। সিনেমার ক্ষেত্রে কোন বাছবিচার নেই, চিন্তা বা ভাব উদ্রেককারী ব্যতিক্রমী বা নূতন সিনেমা সব সময়ই পছন্দ করি। যেসব সিনেমায় অলস অনুকরণ থাকে সেগুলো একেবারেই দেখতে পারি না।
এই ব্লগের যাত্রা শুরু হয়েছিল ‘বিজ্ঞানপুরী’ নামে। তখন আরও কয়েকজন লিখতেন এখানে। কিন্তু কালের পরিক্রমায় আর কেউ কেমন যোগ না দেয়ায় এবং পুরনোরাও লেখা বন্ধ করে দেয়ায় একসময় একে নিজের ব্লগই করে ফেলি। পরে নতুন ডোমেইন কিনে নিজের সব ধরণের লেখাকে এক করার চেষ্টা করি, তাই বিজ্ঞানপুরী রাখাটা আর যৌক্তিক মনে হয় না। সেই থেকেই নাম পরিবর্তনের চিন্তা।
পরিশেষে আমার পরিচয়টাও জানিয়ে রাখা প্রয়োজন:
খান মুহাম্মদ বিন আসাদ
সচলায়তন ও মুক্তমনায় শিক্ষানবিস নামে লিখি
ক্যাডেট কলেজ ব্লগে “মুহাম্মদ (৯৯-০৫)” নামে লিখি
জন্ম – সাতেঙ্গা, ভালুকা, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
বর্তমানে – নেদারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ খ্রোনিঙেনে রেডিও জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর পিএইচডি করছি
ফেসবুক – Khan Muhammad

আত্মকথায় কিছু পাওয়া গেলনা। তারপরও আমি আপনাদের প্রচেষ্টাকে খুব খুব পছন্দ করছি। আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ। সত্যিই পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে আমাদের (বাংলায়) খুব কম ওয়েব সাইট আছে। সবাই কম্পিউটার বা ইন্টারনেট বিষয়ে ব্লগ লেখে কিন্তু বিজ্ঞানের আরও যে অন্যান্য শাখা আছে তা অনেকের মনে থাকেনা। বা সেইসব বিষয়ে আগ্রহী ব্যক্তিরা কম্পিউটার ও ইন্টারনেটে ততোটা সক্রিয় নয়। আপনারা আছেন। দেখে ও পড়ে ভাল লাগল। নতুন নতুন খবরাখবর ও মজার তথ্য দিন। আসুন সবাই মিলে আমাদের জাতিকে একটি বিজ্ঞানসচেতন জাতি হিসেবে গড়ে তুলি।
প্রশংসনীয় উদ্যোগ…
আপনার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এই ব্লগটিকে ভালো মানে নিয়ে যাবার ইচ্ছা আছে।
অভিনন্দন, বাংলাভাষায় বিজ্ঞানের চমৎকার একটি ব্লগের জন্য। আপনার ধৈর্য্যের জন্যেও। বাংলাতে এখন সহজ ভাষায়, বিজ্ঞান বোধ সৃষ্টি করার মত বই, পত্রিকা এবং লেখালেখি খুব দরকার। আব্দুল্লাহ আল-মুতী স্যার কিংবা দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যয় যেমন লিখতেন, তেমন লেখক আজ আমাদের দরকার। এই ব্লগ দেখলাম অনেকদিন থেকে আছে। এখানে ব্লগার কম মনে হলো। ব্লগের সজ্জা বেশ সুন্দর, ফন্ট একটু ছোট মনে হলো। পাঠকও মনে হলো কম।
হ্যা পাঠক বেশ কম। ওয়ার্ডপ্রেস এর ডিফল্ট ফন্ট সাইজ এর জন্যই আসলে সমস্যা হচ্ছে। তারপরও মেনে নিয়েছি।
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আমার আগের টেম্প্লেটই বেশি ভালো লাগতো।
আপনার কি মনে হয় আগেরটায় ফিরে যাওয়া উচিত? আমি এটাতে এসেছিলাম কিছু কথা ভেবে:
- এটাতে লেখার জায়গা অনেক বেশী
- সাইডবারে অনেক কিছু লেখা যায়
- বিজ্ঞানের ব্লগে ছবি ও অনেক লেখা থাকায় এগুলো সুবিধা
- এটাতে কিছু এক্সট্রা ফিচার আছে
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে:
- কোন হেডার ইমেজ নেই
- ফন্ট খুব ছোট লাগছে
আপনি পরামর্শ দেন। আমি শুনবো…
-ছোট ফন্ট আসলেই একটা সমস্যা। পড়তে কষ্ট হয়। জুম করে পড়ি
- লেখার জায়গাটা খুব ঢাউস লাগছে। সাধারণ বইয়ের কন্টেন্টের যে width তাকেই আমার আদর্শ বলে মনে হয়।
তবে এই টেম্পেটের সামগ্রিক সেটআপ সুন্দর লেগেছে।
এখানে একজন আরাফাত রহমান দেখতে পাচ্ছি। আমি আরেক আরাফাত রাহমান।
হেল্লো আরাফাত ভাই…..
hello
i am looking for a bangla blog in which the equations and derivations are easily be embedded in text. i didn’t test your blog, but if the option is open, i may try to give a bangla post with equations having all the possible explanation in simple way!
বিজ্ঞানপুরীতে যান। ফাস্ট পেজে বামেই দেখবেন “অনুসন্ধান” সার্চ বক্স। ওইখানে টাইপ করেন “সমীকরণ লেখার উপায়”। দেখেন কি চইলা আসে … দ্রুত ওয়ার্ডপ্রেসে যোগ দান করেন।
… ওইখানে কমেন্টেই পদ্ধতিটা প্র্যাকটিশ কইরা দেখবার পারেন।…
…. লেখাটাতে দুইটা টিউটোরিয়ালের লিংক আছে, দেখবেন। ওইখানে আরো ডিটেইল লেখা আস কিভাবে ফাইনস্টাইনীয় বিদ্যা ফলাবেন …
বাহ! বিজ্ঞানপুরী নিজস্ব ডোমেইনে এলো তাহলে!! অভিনন্দন। আরে! বিজ্ঞানপুরীর নামেও পরিবর্তন এসেছে! শুভেচ্ছা থাকলো।
অনেক ধন্যবাদ। আসলে আমার সব ধরণের লেখা একটিমাত্র ব্লগের মাধ্যমে প্রকাশ করতেই নতুন ডোমেইনে যাত্রা শুরু করলাম।
চমৎকার ! ধন্যবাদ এরকম একটা ভাল উদ্যোগ নেয়ার জন্য । আর আপনার লেখা পড়ে অনেক ভাল লাগলো । মনে হয় লেখার সাথে অনেক ভালবাসা ও শ্রম জড়িত । আমি একজন নিয়মিত পাঠক আপনার ব্লগের।